ক্যাম্পাস

কুবি থেকে ১০ জনের Visiting Scholar সুযোগ তুরস্কে

12views

কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) থেকে এ বছর ১০ জন স্কলার নেবে তুরস্কের একটি বিশ্ববিদ্যালয়। এ স্কুলারদের টোকাত গাজীওসমানপাশা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং স্কলার প্রোগ্রামে সুযোগ করে দেওয়া হবে। এতে আবেদন করতে পারবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (২২ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তর ও আইকিউএসি এর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে এ তথ্য জানান টোকাট গাজিওসমানপাশা বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাংকিংস অ্যান্ড প্রোটোকল অফিসের প্রধান ড. মারভে কোনইয়ার। সাথে যুক্ত ছিলেন ভিজিটিং স্কলার প্রোগ্রামের পরিচালক এমিনে দেমির।

সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. সোলাইমান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম, আইকিউএসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সায়েদুর রহমান, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক প্রভাষক মশিউর রহমান।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এই প্রোগ্রামের আবেদনের শেষ তারিখ ২৫ এপ্রিল নির্ধারণ করা হলেও তা আরও কিছুদিন বাড়ানো হতে পারে। প্রোগ্রামের মেয়াদ সর্বনিম্ন ৭ দিন থেকে সর্বোচ্চ ২ মাস। এই সময়ে অংশগ্রহণকারীদের একাডেমিক কার্যক্রমে সহযোগিতার পাশাপাশি তুরস্কের বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের আবাসন ও খাদ্যের ব্যবস্থা করবে।

সেমিনারে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মশিউর রহমান বলেন, গত প্রায় ছয় মাস ধরে বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যে সমঝোতা ও একাডেমিক সহযোগিতার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, এটি তার প্রথম বাস্তব ফল। এ কর্মসূচিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।

ড. মারভে কোনইয়ার বলেন, এ বছর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১০ জনকে ভিজিটিং স্কলার প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে। তারা টোকাট গাজিওসমানপাশা বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথি হিসেবে সেখানে যাবেন। আশা করি এই একাডেমিক সহযোগিতা দুই প্রতিষ্ঠানের জন্যই ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে।

সেমিনারে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী বলেন, এটি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে এ অর্জন আরও অর্থবহ হবে। তুরস্ক ছাড়াও চীনসহ আরও কয়েকটি দেশের সঙ্গে একাডেমিক সহযোগিতা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারবে।

Leave a Response