
রাজশাহী কলেজ প্রতিনিধি
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে রাজশাহী কলেজ শাখা বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে কাওয়ালি রাত ও সেহরি মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাত ১০টা থেকে রাজশাহী কলেজ মুসলিম ছাত্রাবাসের মাঠে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থকসহ বিপুলসংখ্যক সাধারণ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে কাওয়ালি ও ইসলামী সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে রমজানের তাৎপর্য, আত্মশুদ্ধি ও সংযমের বার্তা তুলে ধরা হয়। আয়োজকেরা বলেন, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও আধ্যাত্মিক চেতনা জাগ্রত করতে সহায়ক।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি এমাজ উদ্দিন মন্ডল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি গোলাম মুর্তজা, রাজশাহী মহানগর জামায়াতের সাবেক সভাপতি সলাউদ্দিন আহমেদ, রাজশাহী কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ইমরান হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মেহেদী হাসান এবং রাজশাহী মহানগর ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ডা. সাখাওয়াত হোসেন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মহানগর ছাত্রশিবিরের অফিস সম্পাদক জহির রায়হান, সাহিত্য সম্পাদক খালিদ হাসান মুক্তি, সাংস্কৃতিক সম্পাদক এজাজ আহমেদ, রাজশাহী কলেজ শাখার সাবেক সভাপতি ও গোদাগাড়ী পৌরসভার সাবেক মেয়র আমিনুল ইসলাম, মহানগর প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মাহমুদুল হাসান এবং ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক সিফাত আল মাহমুদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
রাজশাহী কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মাহে রমজান আত্মশুদ্ধি, সংযম ও তাকওয়া অর্জনের মাস। এই মাসের শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি কল্যাণমুখী সমাজ গঠন করা সম্ভব।রাজশাহী মহানগর ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ডা. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, রমজান মানুষের চরিত্র গঠন ও নৈতিক উন্নয়নের মাস। এই মাসের শিক্ষা ধারণ করে শিক্ষার্থীদের আত্মশুদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে মোশাররফ হোসেন বলেন, রমজানের শিক্ষা শুধু ব্যক্তিগত ইবাদতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি মানুষের জীবনব্যবস্থাকে শুদ্ধ ও কল্যাণমুখী করে তোলে।
রাজশাহী কলেজের আবাসিক শিক্ষার্থী আল মামুন বলেন, কলেজ ছাত্রাবাসের ইতিহাসে এমন আয়োজন আগে দেখা যায়নি। শিক্ষার্থীবান্ধব এই ধরনের আয়োজন সব ছাত্র সংগঠনের কাছ থেকেই প্রত্যাশা করা যায়।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পরে উপস্থিত সবার মাঝে সেহরির আয়োজন করা হয়।






