ক্যাম্পাস

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব ক্যান্সার দিবস পালিত

105views

ইকবাল মাহমুদ নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘বিশ্ব ক্যান্সার দিবস’ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আজ বুধবার সকালে ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশ এবং নবোদ্যম ফাউন্ডেশন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যৌথ উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

আজ সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘নজরুল ভাস্কর্য’-এর পাদদেশ থেকে সচেতনতামূলক র‍্যালিটি শুরু হয়। র‍্যালিটি ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় ভাস্কর্যের সামনে এসে শেষ হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং সামাজিক সংগঠনের কর্মীরা অংশ নেন।

র‍্যালি পরবর্তী সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন লোকপ্রশাসন ও সরকার পরিচালনা বিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং নবোদ্যম ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা মো. হারুনুর রশিদ। তিনি বলেন, “ক্যান্সার একটি প্রাণঘাতী ব্যাধি হলেও প্রাথমিক পর্যায়ে এটি শনাক্ত করা গেলে সুস্থ হওয়া সম্ভব। তবে এর জন্য সবার আগে প্রয়োজন ব্যাপক জনসচেতনতা। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় থেকে এ ধরনের উদ্যোগ সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।”

অনুষ্ঠানে নবোদ্যম ফাউন্ডেশন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মো. নওসাদ আলী তার বক্তব্যে বলেন, “আমরা চাই একটি ক্যান্সারমুক্ত ভবিষ্যৎ গড়তে। নবোদ্যম ফাউন্ডেশন সবসময়ই মানবিক ও সামাজিক সচেতনতামূলক কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। আজকের এই আয়োজনের মূল লক্ষ্যই হলো শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে এই সচেতনতার বার্তা সমাজের প্রতিটি স্তরে পৌঁছে দেওয়া।”

দিবসটি উপলক্ষে প্রেরিত এক বার্তায় ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশের সভাপতি ড. সৈয়দ হুমায়ুন কবির বলেন, “ক্যান্সার শনাক্তকরণে বিলম্বই মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। সঠিক সময়ে সচেতনতা, স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা এবং নিয়মিত স্ক্রিনিং বা স্বাস্থ্য পরীক্ষা এই মরণব্যাধি থেকে মুক্তি দিতে পারে। বিশ্ব ক্যান্সার দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হওয়া উচিত—প্রতিরোধই হোক মূল শক্তি। আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করলে ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।”

অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্যে নবোদ্যম ফাউন্ডেশন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মেহেদি হাসান রনি বলেন, “ক্যান্সার সচেতনতা কার্যক্রমে ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশের ভূমিকা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় এবং অনন্য। তাদের সাথে যৌথভাবে এই আয়োজন করতে পেরে আমরা গর্বিত।” তিনি অংশগ্রহণকারী সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের জনহিতকর কাজ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

Leave a Response