
ইবি প্রতিনিধি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ‘কর্মচারীর হাতে শিক্ষিকা খুন, বিধি উপেক্ষা করে দেড় শতাধিক চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি সংবাদকে ভিত্তিহীন ও মানহানিকর দাবি করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
রোববার (১৫ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ প্রতিবাদ জানানো হয়।
ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ দায়িত্ব গ্রহণের দেড় বছরের মধ্যে বিধি উপেক্ষা করে দেড় শতাধিক চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছেন—এমন দাবি সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন, মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর।
পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীকে কোনো চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। ফলে বিভিন্ন একাডেমিক বিভাগ ও প্রশাসনিক দপ্তরে স্থায়ী কর্মচারীর সংকট দেখা দিয়েছে, যা শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় নানা ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করছে।
এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও দপ্তরের প্রধানরা নিজেদের ব্যবস্থাপনায় নামমাত্র হাজিরাভিত্তিক কিছু ব্যক্তির মাধ্যমে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন বলে জানায় প্রশাসন। তাদের তহবিল থেকে মজুরি দেওয়া হলেও কোনো ধরনের বোনাস বা অন্যান্য সুবিধা প্রদান করা হয় না। ফলে এটিকে কোনোভাবেই আনুষ্ঠানিক নিয়োগ হিসেবে গণ্য করার সুযোগ নেই বলে দাবি করা হয়েছে পোস্টে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টদের ন্যূনতম সেবা সচল রাখতে বিভাগীয় প্রধানদের সুপারিশের ভিত্তিতে স্বল্প পারিশ্রমিকে কিছু ব্যক্তির কাছ থেকে অফিস খোলা থাকার দিনগুলোতে সেবা নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর কাছে বাজেট চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
প্রকাশিত সংবাদটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করে এ ধরনের তথ্য প্রকাশের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।






