
ইকবাল মাহমুদ নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৫তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে চির উন্নত মম শির এ পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার।
বৃহস্প্রতিবার (২৬ মার্চ) সকালে নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় সঙ্গীতের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী।জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে শোভাযাত্রা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এছাড়াও বিভিন্ন অনুষদীয় ডিন, শিক্ষক সমিতি, বিভিন্ন বিভাগ, হল, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ হতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী বলেন, “ত্রিশ লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগ এবং দুই লক্ষেরও বেশি বীরাঙ্গনার নিগৃহীত হওয়ার মধ্য দিয়ে আমরা মহান স্বাধীনতা পেয়েছি। আমাদের মূল চাওয়া ছিল মানবাধিকার, সামাজিক সাম্যতা, ন্যায়বিচার প্রাপ্তি। আমরা গত ৫৫বছর ধরে এই য্দ্ধু করে চলেছি এগুলো প্রতিষ্ঠার জন্য। আজকের দিনে আমরা নতুন করে শপথ নিতে চাই, আসুন আমরা ১৯৭১ সালে প্রণীত গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংবিধানে লেখা সামাজিক ন্যায়বিচার, মৌলিক মানবাধিকার, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার জন্য আমরা চেষ্টা করে যাই। শহীদদের আত্মত্যাগ সেদিনই সফল হবে, যেদিন আমরা আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে এসমস্ত অধিকারগুলো সমভাবে সকল ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠা করতে পারবো।”
আলোচনায় ওছাড়াও বক্তব্য রাখেন কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. তুষার কান্তি সাহা।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ এইচ এম কামাল, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ (রাশেদ সুখন), শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. আশরাফুল আলম।






