
ইবি প্রতিনিধি:
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) জাতীয় শিশুকিশোর সংগঠন ফুলকুঁড়ি আসর তারারমেলা শাখা আয়োজনে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি ও মৌসুমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ জুন) বেলা দশটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডায়না চত্বরে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি এবং পরবর্তীতে টিএসসিসি করিডোরে ফল উৎসব করে সংগঠনটি।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও ফল উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় আসরের সহকারী প্রধান পরিচালক আশরাফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান চক্র পরিচালক মেহেদী হাসান মুন্না ও কেন্দ্রীয় সমাজসেবা সম্পাদক আলিমউদ্দিন আলিম। এছড়াও ইবি তারারমেলা শাখার পরিচালক আহনাফউজ্জামানসহ অর্ধশতক শিশু-কিশোর এতে উপস্থিত ছিলেন।
ফুলকুঁড়ি আসর তারারমেলা শাখার পরিচালক আহনাফুজ্জামান বলেন,‘গাছ লাগিয়ে সবুজ গড়ি, ফল-ফসলে স্বদেশ গড়ি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ফুলকুৃঁড়ি আসরের আজকের এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। ফুলকুড়ি আসর প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই শিশু বিকাশ কার্যক্রমে সর্বোচ্চ মানে সবগুলো ক্ষেত্রেই কাজ করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজকে আমাদের এই আয়োজন। আগামীতেও আমরা এসব আয়োজন নিয়মিত করার চেষ্টা করবো।
প্রধান অতিথি আশরাফুল ইসলাম বলেন, ফুলকুঁড়ি আসর মূলত শিশুদের বিকাশের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। আমাদের কার্যক্রমগুলো মূলত পাঁচটি বিভাগে বিভক্ত। ৫টি বিভাগের একটি বিভাগ হলো কৃষি ও বিজ্ঞান বিভাগ, যার অধীনে প্রতি বছরই আমরা বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির আয়োজন করে থাকি। আমরা বলে থাকি যে, শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ, শিশুরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে। আগামী দিনে তারা যে নেতৃত্ব দিবে, তারা যাতে পরিবেশের ব্যাপারে সচেতন হয়, তাদের পদক্ষেপগুলো যেন আমাদের পরিবেশ, আমাদের দেশের স্বার্থের বাইরে চলে না যায়—এজন্য মূলত তাদেরকে এসব কাজে আমরা সম্পৃক্ত করি। পাশাপাশি মৌসুমী ফলের আসরের মাধ্যমে আমরা তাদেরকে বিভিন্ন ফলের স্বাদ গ্রহণ ও এর উপকারিতা বোঝানোর চেষ্টা করে থাকি।
তিনি আরো বলেন, এ বছর আমরা বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে জুন মাস পুরোটাকেই ‘বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি মাস’ ঘোষণা করেছি। এই কর্মসূচির অধীনে সারা দেশে ৬৪ জেলায় আমাদের এই কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ‘পৃথিবীকে গড়তে হলে, সবার আগে নিজকে গড়ো’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে জাতীয় শিশু-কিশোর সংগঠন ফুলকুঁড়ি আসর ১৯৭৪ সালে ২৮ সেপ্টেম্বরে – একতা, শিক্ষা, চরিত্র, স্বাস্থ্য ও সেবা এই পাঁচটি আদর্শকে সামনে রেখে প্রতিষ্টা লাভ করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ফুলকুড়ি শিশু-কিশোরদের প্রতিভা বিকাশ, দক্ষতা অর্জন ও চরিত্রবান মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা এবং শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।






